Thursday, March 11, 2021

ঢাবি ভর্তি নির্দেশিকা ২০২০-২১


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি নির্দেশিকা ডাউনলোড করতে নিম্নোক্ত লিংকগুলোতে ক্লিক করুন।

ভর্তি পরীক্ষা বিষয়ক ঘোষণাটির পিডিএফ কপি ডাউনলোড করুন


এবং,
ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের পেজে যেতে এখানে—ক্লিক—করুন

Thanks | ধন্যবাদ

DU Kha Unit Admission Preparation Program (DUKUAPP)
"বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রাইভেট প্রোগ্রাম"
(বিএ/ বিএসএস)
A Project by
Md. Mahadi Hasan
Phone: 01746315639

Tuesday, February 16, 2021

ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার নতুন সিদ্ধান্ত : এমসিকিউ ৬০, লিখিত ৪০


২১ মে ২০২১ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরুর প্রস্তাব করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটি। আগামী বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জেনারেল এডমিশন কমিটির বৈঠকে এই প্রস্তাবে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হবে।
মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই প্রস্তাব করা হয়েছে।
এদিকে ডিনস কমিটির বৈঠকে পরীক্ষা পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার ১২০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এর মধ্যে ৪০ নম্বরের লিখিত আর ৬০ নম্বরের এমসিকিউ প্রশ্ন থাকবে। আর এসএসসি ও এইচএসসিতে প্রাপ্ত জিপিএ এর উপর থাকবে ২০ নম্বর।
বৈঠকে উপস্থিত ডিনস কমিটির একজন সদস্য জানান, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি আবদেন ৮ মার্চ থেকে শুরু হয়ে ৩১ মার্চ পর্যন্ত চলবে। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ১ এপ্রিল পর্যন্ত টাকা জমা দিতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, আগামী ২১ মে ক ইউনিটের পরীক্ষা মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। খ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২২ মে, গ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২৭ মে, ঘ ইউনিটের পরীক্ষা ২৮ মে ও চ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ৫ জুন। সব পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। বিভাগীয় শহরগুলোতে ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র করা হবে।
ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে ডিনস কমিটি অনেকগুলো সুপারিশ করেছে। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারির বৈঠকে এগুলো চূড়ান্ত করা হবে।

DU Kha Unit Admission Preparation Program (DUKUAPP)
"বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রাইভেট প্রোগ্রাম"
(বিএ/ বিএসএস)
A Project by
Md. Mahadi Hasan
Phone: 01746315639

Wednesday, November 25, 2020

█▒▒▒ ঢাবি ভর্তি আপডেট ২০২০-২১ ▒▒▒▒█


গত ২০ অক্টোবর ২০২০ তে ডিন'স কমিটির নেওয়া এ বছরের ঢাবি ভর্তির প্রস্তাবিত সিদ্ধান্তে অল্প কিছুটা পরিবর্তন এনে তা অনুমোদন করেছে প্রথম বর্ষ ভর্তি কমিটি। পরিবর্তিত সিদ্ধান্তে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তাবিত মানবণ্টনে পরিবর্তন এনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ৮০ নম্বরের পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত— এই মোট ৮০ নম্বরের মূল পরীক্ষা হবে। ইতোপূর্বে ৫০ নম্বরের লিখিত এবং ৩০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা নেওয়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেইসাথে জিপিএ এর বিষয়টি ক্লিয়ার করে বলা হয় যে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলের উপর ১০ করে ২০ নম্বর থাকবে।
এছাড়া অন্যান্য সিদ্ধান্তগুলো অপরিবর্তিত রাখা হয়। আর পাশমার্কের বিষয়টি ক্লিয়ার করে বলা হয় যে, ভর্তি পরীক্ষার পাশ মার্ক হবে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ।
♦ এই মিলে সর্বশেষ আপডেট হলো→
• দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
• ২০০ নম্বরের পরিবর্তে ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা হবে।
• মূল ভর্তি পরীক্ষা হবে ৮০ নম্বরের এবং ২০ নম্বর থাকবে এসএসসি ও এইচএসসি এর জিপিএ এর উপরে (এসএসসি ১০ এইচএসসি ১০)।
• ৪০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত।
• ভর্তি পরীক্ষার পাশ মার্ক হবে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ অর্থাৎ সম্মিলিত পাশ মার্ক হবে ৩২ নম্বর।
২৩ নভেম্বর ২০২০ তে ভর্তি পরীক্ষা কমিটি এসব বিষয় চূড়ান্ত করে। তবে এই ৮০ নম্বরের পরীক্ষার ভিতরের মানবণ্টন কীরূপ হবে অর্থাৎ কোন কোন বিষয় থেকে কত কত মার্কের প্রশ্ন হবে এবং বিষয়ভিত্তিক পাশ মার্ক কত কত হবে তা এখনও চূড়ান্ত করে জানায়নি ঢাবি ভর্তি কমিটি। আর পরবর্তী আপডেট পাওয়ামাত্র জানানো হবে। তাই এর আগেই অধৈর্য্য হবে এই বিষয়ে বারবার প্রশ্ন না করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

DU Kha Unit Admission Preparation Program (DUKUAPP)
"বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রাইভেট প্রোগ্রাম"
(বিএ/ বিএসএস)
A Project by
Md. Mahadi Hasan
Phone: 01746315639

Friday, November 13, 2020

২০২০-২১ সেশনে ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষার নেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়→


২০১৯ সালে প্রণীত নতুন নিয়মেই এবছরেও ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ইচ্ছে থাকলেও বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং এবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ১০০ নম্বরের পরীক্ষা বলতে আসলে ১০০ নম্বরের স্কোরিং হবে যেখানে ২০ নম্বরের স্কোর থাকবে এসএসসি এবং এইচএসসি'র জিপিএ এর উপরে আর ৮০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে; যেখানে ৮০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় ৫০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা ও ৩০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে এই ৫০ নম্বরের লিখিত ও ৩০ নম্বরের এমসিকিউ এর প্রশ্নের মানবণ্টন কীরূপ হবে তা এখন চূড়ান্ত করে জানায়নি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

এর পূর্বের বছরগুলোতে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় ২০০ নম্বরের স্কোরিং করা হতো যায় মধ্যে ৮০ নম্বর থাকতো এসএসসি এবং এইচএসসি'র জিপিএ এর উপরে ('এসএসসি × ৬ + এইচএসসি × ১০' এই পদ্ধতিতে) এবং ১২০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হতো। গতবছর তথা ২০১৯ সালে এমসিকিউ এর পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষা চালু করা হয় সেখানে ৭৫ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৪৫ লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়।
কিন্তু এবছর সেই পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে না। এবছরের জন্য যে ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তাতে ২০ নম্বরের জিপিএ স্কোরিংয়ে এসএসসি এবং এইচএসসি'র জিপিএ স্কোরিং কত কত করে হবে তা এখনও চূড়ান্ত করে জানায়নি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

তবে এবছর ভর্তি পরীক্ষাগুলো বিভাগীয় পর্যায়ে নিবে বলে জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; অর্থাৎ ভর্তি পরীক্ষার্থীরা নিজের বিভাগীয় শহরে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারবে।
আর ঢাবিসহ মোট পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে না বলে জানিয়েছে। তারা নিজস্ব সতন্ত্র পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিবে। এই পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় হলো— ঢাবি, রাবি, চবি, জাবি এবং বুয়েট।

যাহোক, তোমরা একটা বিষয় জেনে রেখো যে— ২০২০-২১ সেশনে ঢাবির ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার এই সিদ্ধান্তে ঢাবি তাদের ভর্তি পরীক্ষার মার্ক কমিয়েছে মাত্র, সিলেবাস কিন্তু কমায়নি, সিলেবাস আগের মতোই আছে। তাই সিলেবাস ফলো করে ভালো করে প্রস্তুতি নাও।
আর কোনোকিছু জানার থাকলে ও কোনো পরামর্শ প্রয়োজন হলে আমাদেরকে প্রশ্ন করতে পারো।

Thanks | ধন্যবাদ

DU Kha Unit Admission Preparation Program (DUKUAPP)
"বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রাইভেট প্রোগ্রাম"
(বিএ/ বিএসএস)
A Project by
Md. Mahadi Hasan
Phone: 01746315639

Monday, September 7, 2020

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি সম্পর্কিত কিছু কমন প্রশ্ন ও উত্তর→


ফেসবুকে আমার বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার পরামর্শ বিষয়ক পেজ থাকায় প্রায়ই ইনবক্সে এমন কিছু প্রশ্নের সম্মুখীন হই যেগুলো বলতে গেলে একেবারে কিছুই জানে না এমন ছেলেমেয়েরা প্রশ্ন করে থাকে যেগুলোর উত্তর দিতে গেলে অনেক্ষণ ধরে মেসেজ টাইপ করতে হবে। সেইসাথে বেশকিছু অ্যাডভান্সড শিক্ষার্থীদের অ্যাডভান্সড টাইপের প্রশ্নও পেয়ে থাকি। তাই এখন এরূপ কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর এখানে দিলাম এবং কেউ ইনবক্স করলে কপি-পেস্ট করে রিপ্লাই দিবো। এসো দেখে নেওয়া যাক সেসব প্রশ্নের উত্তর।

প্রশ্ন—১ : মানবিকের ছাত্র হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হলে কী করতে হবে?
→ মানবিকের ছাত্র হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হলে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় মানবিকের ইউনিটে পরীক্ষা দিয়ে চাঞ্চ পেতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানবিকের মাত্র একটা ইউনিট আছে সেটা হলো "খ" ইউনিট; এটিতে পরীক্ষা দিলেই মানবিকের সব সাবজেক্টের জন্য পরীক্ষা দেওয়া হয়ে যাবে (অবশ্য বিভাগ পরিবর্তন নামে "ঘ" ইউনিট আছে, সেখানেও মানবিকের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারে এছাড়াও চারুকলা অনুষদেও পরীক্ষা দেওয়া যায়) আর অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে মানবিকেরই একাধিক ইউনিট রয়েছে যেমন— কলা অনুষদের বিষয়গুলোর জন্য একটা ইউনিট, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের বিষয়গুলোর জন্য একটা ইউনিট। আইন অনুষদের একটা বিষয়ের জন্যই একটা ইউনিট ইত্যাদি।
এছাড়াও বেশকিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে "ঘ" ইউনিট এর মতো বিভাগ পরিবর্তন ইউনিট থাকে, সেখানেও মানবিকের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারে। আর কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগ পরিবর্তন ইউনিট থাকে না, সেখানে বেশিরভাগই ওপেন ইউনিট থাকে যেগুলোতে সবাই পরীক্ষা দিতে পারে এবং শুধু সায়েন্সের জন্য কিছু সায়েন্স রিলেটেড ইউনিট থাকে যেগুলো শুধু সায়েন্সের শিক্ষার্থীদের জন্য, যেমন— অ্যাপ্লাইড সায়েন্স অনুষদ (ফিজিক্স, কেমেস্ট্রি, ম্যাথ ইত্যাদি বিষয়ের জন্য), ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ (প্রকৌশলের সাবজেক্টগুলোর জন্য)।
এছাড়াও Environmental Science তথা পরিবেশ বিজ্ঞান নামক বিজ্ঞানের অনুষদে বিজ্ঞান, মানবিক, বাণিজ্য সবাই পরীক্ষা দিতে পারে। তেমনি অন্যান্য অনুষদেও (আর্টস, সোশ্যাল সায়েন্স, BBA) সবাই পরীক্ষা দিতে পারে।
এক্ষেত্রে আসন বরাদ্দের বিষয়টিতে শিক্ষার্থীদের HSC গ্রুপকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। যেমন— মানবিকের অনুষদে অধিকাংশ ছাত্র নেওয়া হয় মানবিক ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আর অল্প কিছু ছাত্র নেওয়া হয় বিজ্ঞান ও বাণিজ্য ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে। এতে কোন ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে কতজন ছাত্র নেওয়া হবে তা নির্ধারণ করা থাকে এবং একই ইউনিটের মেরিট লিস্ট তিনটা হয়ে থাকে; মানবিক ব্যাকগ্রাউন্ডদের একটা মেরিট লিস্ট, বিজ্ঞান ব্যাকগ্রাউন্ডদের একটা মেরিট লিস্ট, বাণিজ্য ব্যাকগ্রাউন্ডদের একটা মেরিট লিস্ট এবং নির্দিষ্ট মেরিট লিস্ট থেকেই নির্ধারিত আসন পূর্ণ করা হয়। যেমন ধরো একটা কলা অনুষদের পরীক্ষায় সেই ইউনিটে যেসব বিষয় আছে তার প্রতিটিতে ৬০ টি করে আসন আছে। তার ৬০ টি আসনের ৪০ টি নেওয়া হয় মানবিক ব্যাকগ্রাউন্ডের মেরিট লিস্ট থেকে, ১০ টি নেওয়া হয় বিজ্ঞান ব্যাকগ্রাউন্ডের মেরিট লিস্ট থেকে এবং ১০ টি নেওয়া হয় বাণিজ্য ব্যাকগ্রাউন্ডের মেরিট লিস্ট থেকে।
তেমনিভাবে বাণিজ্য অনুষদে অধিকাংশ ছাত্র নেওয়া হয় বাণিজ্য ব্যাকগ্রাউন্ডের ও অল্প কিছু ছাত্র নেওয়া হয় মানবিক ও বিজ্ঞান ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে। পরিবেশ বিজ্ঞান অনুষদে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী নেওয়া হয় সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের এবং অল্প কিছু শিক্ষার্থী নেওয়া হয় মানবিক ও বাণিজ্য ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে।

প্রশ্ন—২ : বিশ্ববিদ্যালয়ে 'আইন' পড়তে হলে কী করতে হবে?
→ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাদে দেশের প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয়েই আইন এর জন্য আলাদা ইউনিট রয়েছে অর্থাৎ শুধু আইন এর জন্যই একটি ফরম তুলতে হয় এবং সেই ইউনিটে পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে থাকতে হবে। ওয়েটিং লিস্টে থেকে আইনে চাঞ্চ পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনে পড়তে হলে "খ" ইউনিটে পরীক্ষা দিয়ে সিরিয়াল শুরুর দিকে থাকতে হবে এবং দু একটি শর্ত পূরণ করতে হবে যেমন- ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজিতে ১৮ নম্বর এবং বাংলায় ১৮ নম্বর পেতে হবে। আর সায়েন্স কিংবা কমার্স ব্যাকগ্রাউন্ডের কেউ ঢাবিতে আইন পড়তে চাইলে তাকে "ঘ" ইউনিটে পরীক্ষা দিয়ে সিরিয়াল শুরুর দিকে থাকতে হবে। আর যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু আইনের জন্যই আলাদা একটা পরীক্ষা দিতে হয় সেখানে আইন একটা ওপেন ইউনিট।

প্রশ্ন—৩ : বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দের সাবজেক্ট পড়তে হলে কী করতে হবে? / বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সাবজেক্ট কি নিজের ইচ্ছেমতো নেওয়া যায়?
→ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সাবজেক্ট নিজের ইচ্ছেমতো নেওয়া যায় না, তোমার পছন্দের সাবজেক্ট যে ইউনিটে রয়েছে সেই ইউনিটে পরীক্ষা দিয়ে সিরিয়াল শুরুর দিকে থাকলে তুমি তোমার পছন্দের সাবজেক্ট পেতে পারো। কারণ দামী সাবজেক্টগুলো সবাই নিতে চায়। তাই সিরিয়াল কতো কাছে বা দূরে তার উপরেই দামী সাবজেক্ট বা নরমাল সাবজেক্ট পাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করে।
এছাড়াও আরও কিছু শর্ত থাকে যেমন— ইংলিশ সাবজেক্ট পেতে হলে ভর্তি পরীক্ষায় ইংলিশে ভালো মার্ক পেতে হবে, সেটা বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারণ করে যে কত নম্বর পেতে হবে। তাই দেখা যায় SSC ও HSC এর জিপিএ এবং ভর্তি পরীক্ষায় অন্যান্য বিষয়ে ভালো করে সিরিয়াল শুরুর দিকে থাকতেও ভর্তি পরীক্ষায় ইংলিশে কম নম্বর পেলে তথা শর্তে উল্লেখিত নম্বর না পেলে ইংলিশ সাবজেক্ট পাওয়া যায় না।

প্রশ্ন—৪ : শিফটভিত্তিক পরীক্ষা নিলে একই ইউনিটের পরীক্ষায় কোনো শিফটের প্রশ্ন সহজ হয় আর কোনো শিফটের প্রশ্ন কঠিন হয়; এতে কঠিন প্রশ্নের শিফটে পরীক্ষা দেওয়া পরীক্ষার্থীরা সমস্যায় পড়বে কি?
→ এটা নিয়ে টেনশন করার কিছু নেই। কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে শিফট ভিত্তিক পরীক্ষা নেওয়া হয় তা ঠিক এবং কোনো শিফটের প্রশ্ন সহজ হয় ও কোনো শিফটের প্রশ্ন কঠিন হয় তাও ঠিক। কিন্তু প্রতিটি শিফটের জন্য আলাদাভাবে আসন বণ্টন করা থাকে ও আলাদা মেরিট লিস্ট করা হয়। যেমন একটি ইউনিট এর মোট আসন আছে ১৮০ টি এবং ওই ইউনিটের তিনটি শিফটে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। এক্ষেত্রে তিনটি শিফটেরই আলাদা মেরিট লিস্ট থাকবে এবং মোট আসন ভাগ করে প্রতিটি শিফটের জন্য ৬০ টি করে আসন বরাদ্দ থাকবে।
এজন্য চাঞ্চ পেতে সেই শিফটের রেজাল্টের মেরিট লিস্টে ভালো করতে হবে। এতে সব শিফটের একটাই মেরিট লিস্ট হবে না; তাই চিন্তার কিছু নেই। আর হয়তো ভাবতে পারো অমুক শিফটের প্রশ্নগুলো ব্যক্তিগতভাবে আমার বেশি কমন ছিল কিন্তু আমি ওই শিফটা পাইনি। ব্যক্তিগত কমন ও আনকমনের বিষয়টি সব বিশ্ববিদ্যালয়েই এবং লাইফের সব ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে, এটা নিয়ে ভেবে লাভ নাই।

প্রশ্ন—৫ : ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কোচিং করবো না কি নিজে নিজে পড়বো? / আমি ইংরেজিতে দুর্বল এখন কী করবো?
→ কোচিং করলে কোনো ভালো কোচিংয়ে কোচিং করো। কোনো ধোঁকাবাজ কোচিংয়ে যাবে না। কিছু স্বনামধন্য কোচিং আছে কিন্তু ভিতরে সেবার মান খুবই নিম্নমানের; তারা মূলত টাকা দিয়ে চাঞ্চ পাওয়া শিক্ষার্থীদের পরিচয় কিনে পত্রিকায় দেয় যে আমাদের এই এই সাফল্য। এক্ষেত্রে প্রাইভেট প্রোগ্রামগুলো খুব ভালো সার্ভিস দেয়।
আর নিজে নিজে পড়তে চাইলে এই বইটি ও আমাদের অ্যাপস ফলো করলেই হবে। আর তুমি কোনো বিষয়ে দুর্বল থাকলে তা সেই বিষয়ের অ্যাডমিশন প্রোগ্রাম যে করায় তার কাছে পড়তে পারো।

প্রশ্ন—৬ : পরীক্ষার হলে কী কী কাগজপত্র ও জিনিসপত্র নিয়ে যাবো?
→ যে ইউনিটের পরীক্ষা দিবে সেই ইউনিটের পরীক্ষার প্রবেশপত্র তো নিয়ে যাবেই সেইসাথে HSC এর রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও আরও কিছু কাগজপত্র নিয়ে যেতে বলা হয়। সেসব আরও কোন কোন কাগজপত্র নিতে হবে তা সেই বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার নির্দেশিকাতে কিংবা সেই পরীক্ষার প্রবেশপত্রে উল্লেখ করে দেয়। সেই মাফিক কাগজপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে যেতে হবে। বর্তমানে প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাতেই ক্যালকুলেটর ও হাতঘড়ি ব্যবহার করতে দেওয়া হয় না। তারপরও কোনো বিশ্ববিদ্যালয় তাদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক এসবের কোনো একটি ব্যবহার করতে দিবে কি না তা শুধু তাদের দেওয়া নির্দেশিকা থেকেই জানতে পারবে। যেমন- আমাদের সময়ে বেরোবি'র BBA অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে দিয়েছিল কিন্তু এখন আর ভর্তি পরীক্ষায় ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে দেওয়া হয় না।

প্রশ্ন—৭ : ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চাঞ্চ পেয়েছি, কিন্তু সমস্যা হলো পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে নরমাল সাবজেক্ট পেয়েছি আর অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে অপেক্ষাকৃত দামী সাবজেক্ট পেয়েছি। এখন কোথায় ভর্তি হবো?
→ এই লেখাটি যেহেতু মানবিকের শিক্ষার্থীরা পড়ছো তাই বলছি, মানবিকের জন্য সাবজেক্ট দামী বা নরমাল কোনো ফ্যাক্ট না; 'আইন' বাদে তুমি মানবিকের যে সাবজেক্টই পড়ো না কেনো তা দিয়ে বিশেষ কিছু করার সুবিধা তুমি পাবে না, তোমার দক্ষতা দিয়ে চাকরিতে স্থান করে নিতে হবে; চাকরির বাজারে মানবিকের সব সাবজেক্ট একই। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়টিই এক্ষেত্রে প্রায়োরিটি দিবে, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নত পরিবেশ তোমাকে অনেকদূর এগিয়ে দিবে যা সব বিশ্ববিদ্যালয়ে সমানভাবে পাবে না। ২০১০ সালে আমাদের এক আপুর ঢাবিতে ১১০০ সামথিং সিরিয়াল ছিল, ভালো সাবজেক্ট পেতো; কিন্তু অন্য একটি নতুন প্রতিষ্ঠিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় প্রথম হয়ে ইংলিশ সাবজেক্ট পাওয়ায় সেখানে ফার্স্ট হওয়ার আবেগে ঢাবি ছেড়ে দিয়ে সেখানে ভর্তি হয়। এটা ছিল একটা বড় ভুল। ঢাবির পরিবেশের সাথে উনার সেই স্থানে ইংরেজি পড়ার কোনো তুলনাই হয় না।
এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে চাঞ্চ পাওয়াটাই লাইফের সব নয়, কোথাও চাঞ্চ পাওয়ার পর যে বিষয়ে চাঞ্চ পেয়েছো ভর্তি হওয়ায় আগে সেই ডিপার্টমেন্ট সম্পর্কে খোঁজখবর নাও, যদি সেই ডিপার্টমেন্টের শিক্ষকদের মধ্যে মনোমালিন্য ও সমন্বয়হীনতা থাকে (অনেকটা দ্বন্দ্বসংঘাতময় পরিবারের মতো) এবং সেইসাথে ডিপার্টমেন্টে দেড়-দুই বছরের সেশনজট থাকে তাহলে সেখানে ভর্তি হওয়াটা তোমার লাইফের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ এই সময়ের দেড়-দুই বছর লাইফের অনেক কিছু উলটপালট করে দিতে পারে। প্রায়ই দেখা যায় এর কারণে অনেক সমবয়সী রিলেশনে থাকা ছেলের ভালোবাসার মানুষ হারিয়ে যায়, কারণ দেখা যায় অন্যখানে পড়ে মেয়েটা পড়াশুনার ইয়ারে এগিয়ে যায় এবং ছেলেটা পিছিয়ে পড়ে। আর অনার্স শেষ হলে পরিবার কিছুতেই মেয়েকে আর বিয়ে না দিয়ে স্বস্তি পায় না, আর মেয়েটাও এতে আর কোনো যুক্তি দেখাতে পারে না। এছাড়াও ডিপার্টমেন্টের এরূপ অবস্থা মানসিক, আর্থিক ও বিভিন্নভাবে একজন শিক্ষার্থীকে দুর্বল করে দেয়। তাই সাবধান! লাইফের সবক্ষেত্রেই চিন্তাভাবনা ও হিসেব নিকেশ করে কাজ করবে। আর এসব এই টপিকের উপরে বলার মতো কথা নয়, কিন্তু লাইফের সঙ্গে রিলেটেড গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে বললাম।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিষয়ে আরও কিছু ছোটোখাটো প্রশ্ন আছে। এসব নিয়ে "বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি - ১০ প্রশ্নের উত্তর" শিরোনামে একটি লেখা University Admission Advice Desk এ খুঁজলেই পাবে। সেটিও পড়ে নিতে পারো। সেটি পড়তে চাইলে ভিজিট করো→ http://admissionadvicebd.blogspot.com এই লিংকটি।

Thanks | ধন্যবাদ

DU Kha Unit Admission Preparation Program (DUKUAPP)
"বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রাইভেট ব্যাচ"
(বিএ/ বিএসএস)
A Project by
Md. Mahadi Hasan
Phone: 01746315639

Saturday, September 5, 2020

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ / B ইউনিটের প্রশ্ন প্যাটার্ন→


এখন তোমাদের সামনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক অর্থাৎ "খ" ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন কাঠামো তুলে ধরবো। প্রথমেই বলি নৈব্যক্তিক বা MCQ সম্পর্কে।
জেনে রাখো প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য থাকবে ১.২৫ নম্বর করে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য মোট সঠিক এর উপর থেকে ০.২৫ নম্বর করে কেটে নেওয়া হবে!
• বাংলা : ১৬ টি প্রশ্ন অর্থাৎ ১৬×১.২৫ = ২০ নম্বর
• ইংলিশ : ১৬ টি প্রশ্ন অর্থাৎ ১৬×১.২৫ =২০ নম্বর
• সাধারণ জ্ঞান : ২৮ টি প্রশ্ন অর্থাৎ ২৮×১.২৫= ৩৫ নম্বর

এবার তোমাদের সব থেকে ঝামেলার প্রশ্ন লিখিত তথা Written পরীক্ষার ব্যাপারে বলি—
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় "খ" ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় লিখিততে থাকে—
✍️ বাংলা ২৫ মার্কস 
✍️ ইংরেজি ২০ মার্কস

✍️ বাংলা লিখিত পরীক্ষায়—
সিলেবাস থেকে একটি পাঠের মূলভাব, কবিতার উদ্ধৃতি ব্যাখ্যা, উদ্ধৃত সংলাপ ব্যাখ্যা (নাটক, গল্প থেকে)।
লেখক/ কবি পরিচিতি, মিলকরণ মানে সম্ভবত টেবিল (সেই প্রাইমারির মতো),
সারমর্ম/ সারাংশ লিখন, বানান শুদ্ধি ও প্রমিতকরণ, সংক্ষিপ্ত অনুচ্ছেদ লিখন, ব্যাকরণভুক্ত সংজ্ঞা ও দৃষ্টান্ত, অনুবাদ ইত্যাদি বিষয় বেশি গুরুত্ব পাবে বলা হয়েছে।

✍️ ইংলিশ রিটেনে—
Comprehension, short paragraph, explanation with reference to the context (বই থেকে কিছু একটা দিয়ে ব্যাখ্যা করতে বলা হবে), rearrange, punctuation, translation, with clue/ without clue, transformation of sentence, sentence making (বাক্য রচনা) এসব থেকে প্রশ্ন আসবে। বেশিরগুলার সাথে তোমরা পরিচিত। ইন্টারে এসব এক্সামে দিয়ে আসছো। 

👉 পাশ মার্কস—
বাংলা ৬, ইংরেজি ৬, জিকে ১২ সহ এমসিকিউতে মোট ৩০ পেতে হবে।
রিটেনে পাশ মার্কস টোটাল ১২। 
আবার রিটেন + এমসিকিউ মিলিয়ে টোটাল ৪৮ পাশ মার্কস।

👉 এমসিকিউতে নেগেটিভ মার্কিং ০.২৫ করে। 
👉 পরীক্ষার হলে ক্যালকুলেটর/ ঘড়ি নেয়া যাবে না।

তোমাদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় মোট ২০০ নম্বরের উপরে।
তার মধ্যে ৮০ নম্বর থাকবে তোমার SSC এবং HSC পরীক্ষার মোট GPA এর উপরে। বাকি ১২০ নম্বরে থাকবে পরীক্ষা।

Thanks | ধন্যবাদ

DU Kha Unit Admission Preparation Program (DUKUAPP)
"বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রাইভেট ব্যাচ"
(বিএ/ বিএসএস)
A Project by
Md. Mahadi Hasan
Phone: 01746315639

Saturday, September 28, 2019

ঢাবি "ঘ" ভর্তি পরীক্ষা-২০১৯ (সেশন: ২০১৯-২০) এর সমাধান→


Note: উত্তরপত্র ফোকাস থেকে সংগৃহীত।

Thanks | ধন্যবাদ

DU Kha Unit Admission Preparation Program (DUKUAPP)
"বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রাইভেট ব্যাচ"
(বিএ/ বিএসএস)
A Project by
Md. Mahadi Hasan
Phone: 01746315639

Saturday, September 21, 2019

ঢাবি "খ" ভর্তি পরীক্ষা-২০১৯ (সেশন: ২০১৯-২০) এর সমাধান→


Note: উত্তরপত্র ফোকাস থেকে সংগৃহীত।

Thanks | ধন্যবাদ

DU Kha Unit Admission Preparation Program (DUKUAPP)
"বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রাইভেট ব্যাচ"
(বিএ/ বিএসএস)
A Project by
Md. Mahadi Hasan
Phone: 01746315639

Thursday, September 19, 2019

লিখিত অংশের নমুনা প্রশ্ন ও উত্তর লেখার পদ্ধতি→


গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তে অনুষ্ঠিত "গ" ইউনিটের প্রশ্নের সাপেক্ষে এই নমুনা প্রশ্নটি তৈরি করা হয়েছে এবং আশা করা যায় "খ" এর প্রশ্নও এরূপই হবে→

♦ প্রশ্নপত্র→

1. Translate the following sentences into English: ——— [5]
(a) আমি আসবো বলে সবাই অপেক্ষা করছিল।
(b) আমি তাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলাম।
(c) সে আমার বহুদিনের সাধনার অর্জন।
(d) দেখতে দেখতে বিশটি বছর পেরিয়ে গেলো।
(e) তুমি স্বাস্থ্যকর খাবার খাবে ও স্বাস্থ্যসম্মত স্থানে বাস করবে।

2. Translate the following sentences into Bangla: ——— [5]
(a) He is my sleeping partner.
(b) It has been raining for depression.
(c) He did the pursuit without any ambition.
(d) I have never been to Sylhet.
(e) Do you want to join in a meditation team.

3. Explain the following concepts in English: ——— [5]
(a) Level Playing Field
(b) Social Capital
(c) Dreamland
(d) Lifeboat
(e) Power of Youth

4. Pick out the buzzwords from the passage: ——— [5]

Today's time is a time of communication technology. With the development of hi-tech communication media and rapid transportation facilities, the world has come closer. The world is now a global village. Counties of the world are like families in a village. They can even share their joys and sorrows like next door neighbours. If one county is in distress, others can immediately come to its assistance. If we could build up an atmosphere of mutual understanding and co-operation through this globalisation process, our world could certainly be a better place to live in.

5. পরিচ্ছন্ন পরিবেশ আইন চেয়ে চিঠিপত্রের কলামে একটি নিবন্ধ লিখ। ——— [5]

6. Answer the following short questions: ——— (5×4=20)
(a) বাঙালিদের নোবেল বিজয় সম্পর্কে একটি তথ্যপঞ্জি লিখ।
(b) Write a few points about proper use of Internet.
(c) ফেসবুকে শুদ্ধভাবে বাংলা লেখার প্রতি আহবান জানিয়ে তোমার ফেসবুক বন্ধুদের প্রতি একটি স্ট্যাটাস লিখ।
(d) Write some ideas of enhancing public awareness.
(e) বাংলাদেশ একটি কল্যাণমুলক রাষ্ট্র হতে চলেছে— বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।
অথবা,
তুমি কি ভিন্ন কিছু করার স্বপ্ন দেখো? যদি দেখে থাকো সেটা দ্বারা দেশের কী উপকার হতে পারে?


♦ উত্তরপত্র→

[] Answer to the question no—1:
(a) Answer: Everybody were waiting for my coming.
(b) Answer: I went to hospital to see him/ her.
(c) Answer: He/ She is my achievement of long time pursuit.
(d) Answer: Twenty years have passed away see to see.
(e) Answer: You will take healthy foods and live in hygienic place.

[] Answer to the question no—2:
(a) Answer: সে হলো আমার নিঃস্বার্থ বন্ধু।
(b) Answer: নিম্নচাপের কারণে বৃষ্টি হচ্ছে।
(c) Answer: সে কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছাড়াই সাধনাটি করেছিল।
(d) Answer: আমি কখনও সিলেটে যাইনি।
(e) Answer: তুমি কি একটি মেডিটেশনের দলে যোগ দিতে চাও?

[] Answer to the question no—3:
(a) Answer: Level playing field means such a state in which conditions in a competition or situation are fair for everyone.

(b) Answer: Social Capital is the networks of relationships among people who live and work in a particular society, enabling that society to function effectively.

(c) Answer: Dreamland means an imagined and unrealistically ideal world.

(d) Answer: A lifeboat is a small boat that's kept on a bigger ship in case of emergency life-support.

(e) Answer: Power of youth is the energy and optimism of the youth that drives innovation, entrepreneurship and the march forward of human right.

[] Answer to the question no—4:
communication technology,
global village,
mutual understanding,
co-operation,
globalisation.

[] Answer to the question no—5:
নমুনা উত্তর→
বাংলাদেশ সরকার যেসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সেসবের সর্বোচ্চ সুফল পাওয়ার জন্য দেশে উন্নত বিশ্বের মতো একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ আইন ও তার যথাযথ প্রয়োগ চাই। উন্নত যোগাযোগের জন্য ফ্লাইওভার হয়েছে কিন্তু দেখা যায় তার নিচতলা ময়লার স্তুপ ও মশামাছির অভয়ারণ্য হয়ে উঠে। এসব নিয়ন্ত্রণে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ আইনের বিকল্প নেই। এছাড়াও এই আইনের আওতায় পলিথিন ও পলিথিনজাত ওয়ানটাইম প্লেট-গ্লাস নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল করা প্রয়োজন। অধিকন্তু কারো স্থাপনার দেয়ালে পোস্টার লাগানো হলে এর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীকে মামলা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য এই আইনে ধারা থাকা উচিৎ। আমরা চাই একটি পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ। যে প্রজন্ম ময়লা দেখে দেখে ও দুর্গন্ধ শুঁকে বড় হয় তারা পরিচ্ছন্নতাবোধ শিখবে কী করে? তারা বড় স্বপ্ন দেখবে কী করে?

[] Answer to the question no—6:
(a) Answer: এ পর্যন্ত ৩ জন বাঙালি ব্যক্তিত্ত্ব নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন।
নোবেল বিজয়ী প্রথম বাঙালি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি এশীয়দের মধ্যে প্রথম সাহিত্যে নোবেল লাভ করেন।
এরপর ১৯৯৮ সালে অমর্ত্য সেন তার সামাজিক চয়ন তত্ত্বের জন্য অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
এরপর ২০০৬ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নোবেল পুরস্কার লাভ করেন; তিনি এই পুরস্কার লাভ করেন শান্তিতে।

(b) Answer: We must have to careful about using Internet. We must use it for enhancing our knowledge, communication, technical works etc. Taking excessive entertainment using Internet and thus wasting time must be leaved. We can use Internet for the works such as—
(i) Reading e-books
(ii) Knowing information
(iii) e-Learning (Learning via Internet)
(iv) Electronic communication etc.

(c) Answer: নমুনা উত্তর→
বন্ধুরা, ফেসবুকে বাংলা ভাষায় লেখালেখির সময় আমাদের ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন ও যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। আমরা আমাদের মূল্যবান জিনিসপত্র যেমন যত্নের সঙ্গে ব্যবহার করি তাহলে আমাদের এই অমূল্য মাতৃভাষাকে কেনো যাচ্ছেতাইভাবে ব্যবহার করবো?
আসুন আমরা ফেসবুকে লেখালেখির সময় শুদ্ধভাবে বাংলা বানান লিখি।

(d) Answer: We can raise public awareness in many kinds of ways. TV Programs, awareness workers, newspapers, social media, friend circle, youth volunteer organizations, awareness campaign etc are the ways of raising awareness.

(e) Answer: যে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা দিয়ে থাকে তাকে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র বলে। কল্যাণমূলক রাষ্ট্র নাগরিকদের নিরাপত্তার পাশাপাশি বিভিন্ন ভালো উদ্যোগে সহযোগিতা দিয়ে থাকে। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড যেমন নাগরিক সুবিধা ও তরুণ উদ্যোগকে উৎসাহিত করে আসছে তাতে বাংলাদেশ একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হতে চলেছে।

অথবা,
নমুনা উত্তর→
আমি লাইফ একাডেমি নামে একটি প্রতিষ্ঠান দিতে চাই যার কাজ হবে মানুষের লাইফ নিয়ে গবেষণা করা ও এদেশে বিদেশি গবেষকদের সঙ্গে কাজ করা। এর মাধ্যমে লাইফ সম্পর্কিত বিভিন্ন গবেষণালব্ধ জ্ঞানের মাধ্যমে এদেশের মানুষের উপকার হবে।

Note: রাত ১০:০০ টায় এবছর নিউজপেপারে আসা গুরুত্বপূর্ণ বানানগুলো পোস্ট করা হবে। এসব থেকে প্রতিবছরই প্রশ্ন আসে; তাই মিস করবে না।

Thanks | ধন্যবাদ

DU Kha Unit Admission Preparation Program (DUKUAPP)
"বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রাইভেট ব্যাচ"
(বিএ/ বিএসএস)
A Project by
Md. Mahadi Hasan
Phone: 01746315639

লিখিত অংশের প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র আলাদা হবে!


ঢাবির ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক সিদ্ধান্তে লিখিত অংশের জন্য প্রশ্নপত্রেই উত্তর লেখার জন্য ফাঁকা জায়গা থাকার কথা থাকলেও গত ১৩/০৯/২০১৯ তে অনুষ্ঠিত "গ" ইউনিট এর পরীক্ষায় লিখিত অংশের প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র আলাদা ছিল। সেই মোতাবেক "খ" ইউনিট এর লিখিত অংশের প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্রও আলাদা হবে।

Thanks | ধন্যবাদ

DU Kha Unit Admission Preparation Program (DUKUAPP)
"বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রাইভেট ব্যাচ"
(বিএ/ বিএসএস)
A Project by
Md. Mahadi Hasan
Phone: 01746315639

Monday, August 5, 2019

ঢাবি ভর্তি নির্দেশিকা ২০১৯-২০


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি নির্দেশিকা ডাউনলোড করতে নিম্নোক্ত লিংকগুলোতে ক্লিক করুন।


Thanks | ধন্যবাদ

DU Kha Unit Admission Preparation Program (DUKUAPP)
"বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রাইভেট ব্যাচ"
(বিএ/ বিএসএস)
A Project by
Md. Mahadi Hasan
Phone: 01746315639

Friday, August 2, 2019

শেষ সময়ের প্রস্তুতি!


বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার্থীদের হাতে এখন সময় খুব অল্প; আর ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য আরও অল্প। এই স্বল্প সময়ে ভর্তি প্রস্তুতি সুসম্পন্ন করতে এখন একমাত্র করণীয় সিলেবাস ফলো করে বেসিক বিষয়গুলো ভালো করে পড়া এবং সাম্প্রতিক বিষয়গুলোর জন্য ভালো একটি সহায়িকা (সাম্প্রতিক ক্যাপসুল/ বুলেটিন প্রভৃতি) পড়া। এসব বিষয়ে এখন কথা বলবো।

♦ কী কী পড়বে? কীভাবে পড়বে?
কী কী টপিক পড়তে হবে তা সিলেবাস থেকে জানতে পারবে। সিলেবাস পাওয়ার পদ্ধতি এই পোস্টের শেষে লেখা আছে।
আর কোন কোন বই হতে পড়বে সে বিষয়ে বলতে হয়, বাংলার জন্য উচ্চমাধ্যমিক বাংলা 'সাহিত্য পাঠ', বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম-দশম শ্রেণী) ও বাংলা প্রান্তর, ইংরেজির জন্য HSC "English for Today (For Classes XI-XII)" ও English SOS (SOS Publication) এবং সাধারণ জ্ঞানের জন্য সামাজিক বিজ্ঞান (নবম-দশম শ্রেণী) (১৯৯৬ এর সিলেবাস), MP3 সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ) ও MP3 সাধারণ জ্ঞান (আন্তর্জাতিক) পড়বে।
আর, সাধারণ জ্ঞানের সাম্প্রতিক বিষয়গুলোর জন্য সাম্প্রতিক ক্যাপসুল/ বুলেটিন ইত্যাদি সহায়িকা ভালো হবে কারণ, কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সে অনেক গভীরের জিনিসও দেওয়া থাকে যেসবের সবকিছু আসলে ঢাবি "খ" এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়; তাই এই অল্প সময়ে কোনটা গুরুত্বপূর্ণ আর কোনটা নয় তা বুঝতে না পারলে হয়তো কিছু অহেতুক বিষয় পড়ে সময় ব্যয় করার সম্ভাবনা থাকে।
আর হ্যা, "Newspaper Digest : ঢাবি 'খ' সংখ্যা ২০১৯" পড়বে। এটি ভর্তি পরীক্ষার ২০ দিন আগে PDF আকারে পাবে; প্রিন্ট কপি পাবেনা।
সাধারণ জ্ঞানের বেশ কিছু বেসিক তথ্য আছে যেগুলো আমরা জানতাম না কিন্তু সাম্প্রতিক কোনো কারণে পেপারে এসেছে এবং স্মার্ট ছাত্র হিসেবে তা জানা দরকার। এসব পেপারে খুঁজতে গেলে একজন অনভিজ্ঞ ছাত্র তা অন্য দশটা অপ্রয়োজনীয় তথ্যের সঙ্গে একাকার করে ফেলবে। এক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ভাইয়াদের সাহায্য প্রতিদিন নিতে হয় যা খুবই অসুবিধাজনক। পরীক্ষার্থীদের এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে আমি 'নিউজপেপার ডাইজেস্ট' সম্পাদনা করে আসছি।
আর এই "Newspaper Digest : ঢাবি 'খ' সংখ্যা ২০১৯" সেই কাজটি আরও সহজ করে দেবে। এটি পাওয়ার পদ্ধতি জানতে এখানে—ক্লিক—করো

♦ মডেল টেস্টঃ
আমরা এ বছর পূর্বের নিয়মে একটি প্রীতি মডেল টেস্ট নিয়েছি। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ৬০ নম্বরের এমসিকিউ ও ৪০ নম্বরের লিখিত আর সেইসঙ্গে লিখিত অংশে Intellectual Thinking প্রয়োগ করার ঘোষণা এলে সেই সম্ভাব্য পদ্ধতিতে দুটি মডেল টেস্ট নিয়েছি। এরপর যখন লিখিত অংশের প্রশ্ন সৃজনশীল করার ঘোষণা এলো তখন আমরা সৃজনশীল পদ্ধতিতে লিখিত অংশের ৪০ নম্বরের একটি মডেল টেস্ট নিয়েছি। এরপর যখন ঘোষণা এলো লিখিত অংশের প্রশ্ন শুধু বাংলা ও ইংরেজি এর উপরে হবে, তখন আমাদের পক্ষে আর কোনো মডেল টেস্ট নেওয়া সম্ভব হয়নি। কারণ এ বিষয়টি আমাদের কাছে অস্পষ্ট। লিখিত অংশে সাধারণ জ্ঞান হতে কোনো প্রশ্ন করা না হলে এমসিকিউ অংশে সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন সেই অংশের হিসেবের চেয়ে বেশি করা হবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।
আর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত এমসিকিউতে সময় ৪০ মিনিট ও লিখিততে সময় ৫০ মিনিট সেটাই সুন্দর তথা বোধগম্য ছিল (পূর্বের বছরগুলোর নিয়ম অনুযায়ী ঐকিক নিয়ম করলে ৬০টি এমসিকিউ এর জন্য সময় হয় ৩৬ মিনিট)।
সেখানে সর্বশেষ সিদ্ধান্তে এমসিকিউতে সময় নির্ধারণ করা হয় ৫০ মিনিট আর লিখিততে ৪০ মিনিট; এমসিকিউতে এতো সময় বাড়িয়ে দেওয়ার পিছনে কারণ কী? লিখিততে এত কম সময় দেওয়ার পিছনেই বা কারণ কী এবং সেক্ষেত্রে উভয় অংশে প্রশ্ন কী ধরণের হতে পারে তা আমাদের বোধগম্য নয়।
তাই এক্ষেত্রে বোধগম্যতার সংকট নিয়ে কোনো সম্ভাব্য মডেল টেস্ট নেওয়া ফলপ্রসূ হবে না। তাই কিছু পরামর্শ দিয়ে এবারের প্রজেক্ট শেষ করছি।

তবে এপর্যন্ত নেওয়া মডেল টেস্টগুলো অবশ্যই দিবে। কারণ এতে তোমাদের দক্ষতা বাড়বে ও তোমাদের ভুল-ত্রুটিগুলো শুধরে নিতে পারবে। মডেল টেস্ট দিতে এখানে—ক্লিক—করো

♦ ঢাবি "খ" প্রস্তুতির সিলেবাসঃ
এই সিলেবাসটির বৈশিষ্ট্য হলো এটিতে উল্লেখিত টপিকগুলো 5 স্টার, 4 স্টার, 3 স্টার, 2 স্টার এবং 1 স্টার দিয়ে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে। 5 স্টার টপিকগুলো ঢাবির জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ; এসব থেকে প্রশ্ন মিস হবেনা। 4 স্টার টপিকগুলোও খুবই গুরুত্বপূর্ণ; এখান থেকেও প্রশ্ন মিস হবেনা। 3 স্টার টপিকগুলো মধ্যম গুরুত্বপূর্ণ; এসবও পড়তে হবে। আর 2 স্টার ও 1 স্টার টপিকগুলো ঢাবির জন্য না পড়লেও হবে।
তবে প্রশ্ন হলো, তাহলে কেনো দেওয়া হয়েছে? বিষয়টা হলো এই সিলেবাসটি ফলো করলেই মানবিক এর ছাত্র-ছাত্রীদের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে। তবে এটি সাজানো হয়েছে ঢাবির Preference অনুসারে।
সিলেবাসটি পেতে এখানে—ক্লিক—করো

আর, এখনকার সর্বশেষ কথা হলো এই পোস্টটি শেয়ার করো।

Thanks | ধন্যবাদ

DU Kha Unit Admission Preparation Program (DUKUAPP)
"বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রাইভেট ব্যাচ"
(বিএ/ বিএসএস)
A Project by
Md. Mahadi Hasan
Phone: 01746315639

Thursday, August 1, 2019

ঢাবি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০১৯-২০!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেখতে নিম্নের ইমেজ দুটি একে একে ভিউ করুন→


Thanks | ধন্যবাদ

DU Kha Unit Admission Preparation Program (DUKUAPP)
"বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রাইভেট ব্যাচ"
(বিএ/ বিএসএস)
A Project by
Md. Mahadi Hasan
Phone: 01746315639

Wednesday, July 24, 2019

ঢাবি ভর্তি আপডেট: এমসিকিউ ৭৫, লিখিত ৪৫ মার্কস!


█▒▒▒ U P D A T E ▒▒▒▒█

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে পরিবর্তন এনেছে কর্তৃপক্ষ। নতুন পদ্ধতিতে, দেড় ঘণ্টায় এমসিকিউ অংশের ৭৫ নম্বর এবং লিখিত ৪৫ নম্বরের উত্তর করতে হবে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের।

বুধবার (২৪ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে প্রায় সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে প্রথম বর্ষ ভর্তি কমিটির সাধারণ সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান সভাপতিত্ব করেন। আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও কর্মকর্তারা।

বাংলানিউজকে একাধিক সূত্র জানায়, প্রতি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষার সময় হবে দেড় ঘণ্টা। এমসিকিউ অংশে ৬০ প্রশ্নের জন্য সময় ৫০ মিনিট। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১.২৫ সর্বমোট ৭৫। পাস মার্ক ৩০। আর লিখিত অংশে সময় ৪০ মিনিট। পাস মার্ক ১২।

সূত্র আরও জানায়, এমসিকিউ পরীক্ষায় ৩০ নম্বর পেলে লিখিত পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করা হবে। কেউ যদি এমসিকিউ অংশে পাস মার্কের বেশি পাওয়ার পরও লিখিত পরীক্ষায় ১২ নম্বরের কম পায় তাহলে সে ভর্তির অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। লিখিত অংশের জন্য বাংলা ও ইংরেজির বোর্ড বই পড়তে হবে। এ অংশে সাধারণ জ্ঞান থেকে কোনো প্রশ্ন আসবে না। মোট ১২০ নম্বরের পরীক্ষার সঙ্গে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএ যোগ করে সর্বমোট ২০০ নম্বরের ভিত্তিতে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

সূত্র জানায়, প্রতিবন্ধী কোটার ক্ষেত্রে দৃষ্টি বাক-শ্রবণ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষার ফরমের মূল্য ৪৫০ টাকা।

বাংলাদেশ সময়: ১৩:৪০ ঘণ্টা, জুলাই ২৪, ২০১৯
এসকেবি/এইচএডি/
(সংগৃহীত)

Note: ঢাবি'র পরিকল্পনা ঘন ঘন পরিবর্তিত হচ্ছে এটা ঠিক। তবে, এতে উদ্বিগ্ন না হয়ে ভালো করে পড়াশুনা করো। যা হবে তা সব প্রতিযোগির জন্যই হবে। এটা তোমার একার সমস্যা না। বেসিক ভালো হলে চাঞ্চ পাবে।

Friday, July 19, 2019

ঢাবি'র "ঘ" এবং "চ" ইউনিট বিষয়ক কিছু কথা—


মানবিক এর কোনো ছাত্রের HSC তে যদি গণিত, পরিসংখ্যান ও অর্থনীতি এই তিনটার একটাও পড়া না থাকে তাহলে সে "ঘ" ইউনিটে পরীক্ষা দিয়ে প্রথম হলেও কোনো ফল হবে না, কারণ এতে সে কোনো সাবজেক্ট পাবেনা।
বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক— HSC তে গণিত থাকলে সে বিজ্ঞানের গণিত ও ব্যবসার শিক্ষা এর সকল সাবজেক্ট পাবে, আর HSC তে পরিসংখ্যান কিংবা অর্থনীতি থাকলে সে ব্যবসায় শিক্ষার সকল সাবজেক্ট পাবে।
আর একটা বিষয় হলো, 'ঘ' ইউনিটে মানবিক এর ছাত্রদের জন্য মাত্র ৩৮টি সিট উন্মুক্ত থাকে।
যদিও 'ঘ' ইউনিটে মানবিকের মোট সিট ৪৮টি, কিন্তু তাতে ১০টি সিট থাকে গণিত এ পড়ার জন্য। আর এজন্য শর্ত থাকে যে, মানবিক এর যে ছাত্র HSC তে উচ্চতর গণিত পড়েছে এবং 'ঘ' ইউনিট এর ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে সিরিয়ালে আছে সেই উক্ত সিটে ভর্তি হতে পারবে। এই শর্ত পূরণ হয় না; ফলে সেই সিটগুলো ফাঁকা থাকে আর তখন 'ক' ইউনিটের ওয়েটিং এ থাকা সাইন্স এর ছাত্রদের দিয়ে তা পূরণ করা হয়।
তবে, এবার কয়েকটা সিট বাড়ানো হয়েছে, কিন্তু বাকিসব কাহিনি একই।

আর, "চ" ইউনিট এর বিষয়ে বলতে হয়— অতি উচ্চদক্ষতাসম্পন্ন না হলে ড্রয়িং এ পাশ করাই যায় না। আমি ঢাবি'র সব ইউনিটেই পাশ করেছিলাম। 'চ' ইউনিট এর সাধারণ জ্ঞান অংশেও পাশ করেছিলাম কিন্তু অনেক ভালো এঁকেও ড্রইং এ পাশ করতে পারি নাই। আমার ছোট ভাইয়েরও একই ঘটনা ঘটেছিল। তাই এই কাজে খুবই এক্সপার্ট না হয়ে থাকলে এখানে সময় না দেওয়াই ভালো।

আমি যখন ২০১২ সালে "চ" ইউনিটে পরীক্ষা দেই তখন অংকন অংশের প্রশ্ন ছিল এই— ছাত্রদেরকে খালি ফ্লোরের উপর গ্রুপ গ্রুপ করে গোল করে বসিয়ে মাঝখানে একটা করে মৃৎপাত্রের ফুলদানি রেখেছিল। এই ফুলদানির গায়ে নকশী করে ফুল আঁকা ছিল। ফুলদানিটা আবার একটা বর্গাকার বেদীর উপরে ছিল। প্রশ্ন ছিল এই পুরো জিনিসটার ত্রিমাত্রিক (3D) ছবি আঁকতে হবে।

আমার ছোটভাই যখন ২০১৭ সালে পরীক্ষা দিয়েছিল তখন অংকন অংশের প্রশ্ন ছিল— প্রতিটা রুমে ব্লাকবোর্ডের সামনে একজন করে শ্রমিককে এনে দাঁড় করিয়ে রেখেছিল। প্রশ্ন ছিল তাকে দেখে দেখে সেই মানুষটার মুখের ছবি অংকন করতে হবে। আর এজন্য প্রতিটা রুমে কত থেকে কত রোল বসবে তা তো সিটপ্লান করাই ছিল। পরীক্ষা কমিটি কোন রুমে কাকে দাঁড় করানো হবে তা ঠিক করে তাদের ছবি তুলে তা ফাইল করে রেখেছিল যেন তা দেখে দেখে অংকন খাতা কাটা যায়।

অতএব, বুঝতেই পারছো বিষয়টা কতটা নিখুঁত দক্ষতার কাজ। তাই অংকনে খুবই সিদ্ধহস্ত না হয়ে থাকলে সেখানে সময় দিতে যেয়ো না।

তোমার প্রশ্ন জানাতে পারো—
ফোন: +৮৮০১৭৪৬৩১৫৬৩৯
ফেসবুক: facebook.com/mahadihasan24

তোমার স্বপ্ন পূরণে | DUKUAPP

Tuesday, July 16, 2019

লিখিত অংশের সৃজনশীল উত্তর কীভাবে লিখবে?


প্রথমেই বলতে হয়, ঢাবি এবারের ভর্তি পরীক্ষায় বেশকিছু চমক নিয়ে আসছে; এসব হলো—
(১) প্রথমবারের মতো লিখিত পরীক্ষা হবে।
(২) ঢাবির ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক মার্ক জিপিএ হতে (১০০) কাউন্ট করা হবে।
(৩) প্রথমবারের মতো ভর্তি পরীক্ষায় সৃজনশীল প্রশ্ন করা হবে।
(৪) ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইংরেজিতে সৃজনশীল প্রশ্ন হবে।
(৫) ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সাধারণ জ্ঞানে সৃজনশীল প্রশ্ন হবে।
(৬) লিখিত অংশে ৫০ মিনিটে ৪টি সৃজনশীলের উত্তর করতে হবে।
(৭) নির্দিষ্ট জায়গায় সৃজনশীলের উত্তর প্রদান করতে হবে, এক্সট্রা কোনো পাতা যোগ করার ব্যবস্থা থাকবে না; অর্থাৎ, প্রশ্নপত্রেই প্রতিটি প্রশ্নের পর একটু ফাঁকা জায়গা থাকবে, সেখানেই উত্তর লিখতে হবে।
এছাড়াও, যেহেতু লিখিত পরীক্ষা হবে সেহেতু সবাইকে পরীক্ষায় বসার সুযোগ নাও দেওয়া হতে পারে, কারণ এতো খাতা কেটে রেজাল্ট দিতে গেলে অনেক সময় লেগে যাবে। সেক্ষেত্রে হয়তো এলিজেবল লিস্টে সর্বোচ্চ জিপিএধারী নির্দিষ্ট সংখ্যককে পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে; যদিও এ অপশনটি এখনো গৃহীত হয়নি।
এবং, যেহেতু প্রত্যেক সপ্তাহে একটি করে আপডেট নিউজ দিচ্ছে সার্কুলার দেওয়ার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত হয়তো আরো নতুন কিছু বিষয় অ্যাড করা হবে।

তবে এসব চমকে উদ্বিগ্ন ভর্তি পরীক্ষার্থীরা। তাদের মনে প্রশ্ন ও দ্বিধাদ্বন্দ্ব এই যে, লিখিত অংশের প্রশ্ন আসলে কীরূপ হবে এবং আমি তার উত্তর করতে পারবো কি না।
অধিকন্তু প্রশ্ন, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞানের সৃজনশীল আবার কীরূপ হবে?

আমি বলবো, এসব নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। Basic জিনিসগুলো ভালো করে পড়ো। Basic ভালো না জানলে সৃজনশীলের উত্তর করা সম্ভব না।

বাংলা ও ইংরেজিতে ১টি করে ও সাধারণ জ্ঞানে ২টি সৃজনশীল প্রশ্ন হতে পারে। প্রতিটি সৃজনশীলে ১০ মার্ক করে থাকতে পারে।

আর, আমরা এ সপ্তাহেই এই সৃজনশীল পদ্ধতিতে ৪০ নম্বরের লিখিত অংশের একটি মডেল টেস্ট নিবো ও তার উত্তরমালাও প্রকাশ করবো। তখন তোমরা বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে।

তোমার প্রশ্ন জানাতে পারো—
ফোন: +৮৮০১৭৪৬৩১৫৬৩৯
ফেসবুক: facebook.com/mahadihasan24

তোমার স্বপ্ন পূরণে | DUKUAPP

Monday, July 15, 2019

লিখিত অংশের প্রশ্ন সৃজনশীল করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত!


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে আসন্ন স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় এবার ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা যুক্ত হয়েছে। এর আগে পুরো ১০০ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) প্রশ্ন থাকলেও এবার প্রথমবারের মতো এটি ৬০ নম্বরে নেমে আসছে এবং বাকি ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন সৃজনশীল পদ্ধতিতে তৈরি করা হবে। বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক ধারণা দিয়েছেন জেনারেল অ্যাডমিশন কমিটির একাধিক সদস্য।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এবারের ভর্তি পরীক্ষায় নতুন করে লিখিত প্রশ্ন থাকার বিষয়টি নিয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানা কৌতূহল আছে। সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এবার লিখিত থাকবে ৪০ নম্বরের এবং এমসিকিউ থাকবে ৬০ নম্বরের। তবে এমসিকিউ এর জন্য সময় থাকবে ৪০ মিনিট এবং লিখিত অংশের জন্য থাকবে ৫০ মিনিট।

লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নের মানের বিষয়ে কয়েকটি অনুষদের ডিনের সাথে কথা বলে জানা যায়, উচ্চ মাধ্যমিক থেকে শিক্ষার্থীরা যেহেতু সৃজনশীল পড়ে আসছে, ভর্তি পরীক্ষায় তাই লিখিত অংশে সৃজনশীল ধরনের প্রশ্ন হবে। মাধ্যমিকের পাঠ্যবইগুলোর ওপর ভালো ধারণা থাকলে সহজে উত্তর করতে পারবে শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, ‘লিখিত অংশের জন্য সময় থাকবে ৫০ মিনিট। এ সময়ের মধ্যে যাতে শিক্ষার্থীরা উত্তর দিতে পারে, সেটা বিবেচনা করেই আমরা প্রশ্ন করব। এখানে ল্যাংগুয়েজের ওপর গঠনমূলক আলোচনা এবং তারা লিখতে পারে কি না এটি আমরা দেখব। যেহেতু তারা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে সৃজনশীল পড়ে আসছে, সে হিসেবে ‘ভাবনা-চিন্তা’ করে যাতে উত্তর লিখতে হয়, তেমন প্রশ্ন করা হতে পারে।’

লিখিত অংশেও বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান থেকে প্রশ্ন থাকবে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যদি উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ্য বইগুলো খুব ভালো করে পড়ে ও জানে, তাহলে তারা উত্তর করতে পারবে।’

ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম বলেন, ‘লিখিত অংশে শিক্ষার্থীদের দক্ষতানির্ভর প্রশ্ন হতে পারে অর্থাৎ সৃজনশীল। লিখিত প্রশ্ন করার কারণ হলো আসলে শিক্ষার্থীরা কি লেখাপড়া জানে? নাকি ডিভাইস দিয়ে শুনে শুনে উত্তর দিলো, তা নিশ্চিত হওয়া। লিখিত দক্ষতা যাচাই করা হবে এখানে।’

লিখিত প্রশ্ন নতুনভাবে যুক্ত হওয়ায় এটি সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের। তাই কিছুটা চিন্তিত তারা। শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিগত বছরে শুধু বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) প্রশ্ন দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতো। কিন্তু এবারে লিখিত প্রশ্ন থেকেও উত্তর করতে হবে। 
ভর্তিচ্ছু এক শিক্ষার্থী জিল্লুর রহমান বলেন, ‘এবারে ভর্তি পরীক্ষায় লিখিত প্রশ্ন থাকবে, যা সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণা নেই। বহুনির্বাচনি প্রশ্ন নিয়ে তেমন ভাবনা না থাকলেও, লিখিত অংশ নিয়ে ভাবনা থেকেই যায়; যার কারণে এটি নিয়ে আমরা চিন্তিত।’

ভয়ভীতি পরিহার করে আনন্দের সাথে পরীক্ষা দেয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত মেধাবী। তাদের ভীত নয়, আনন্দ ও উৎসবের সাথে ভয়ভীতি পরিহার করে পরীক্ষা দিতে বলব।’
তিনি আরো বলেন, ‘এবারের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র কেমন হবে, এ বিষয়ে প্রত্যেক বিভাগ থেকে শিক্ষকদের মতামত নেয়া হয়েছে। তাদের মতামতগুলো বিশ্লেষণ এবং সমন্বয় করে আমরা নীতিগতভাবে একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি। লিখিত হবে ৪০ ও বহুনির্বাচনি প্রশ্ন হবে ৬০ ভাগ। এরই মধ্যে ডিনদের নিয়ে একটি উপকমিটি করে দেয়া হয়েছে। এই কমিটি প্রশ্নের আসল স্ট্রাকচার নিয়ে কাজ করছে।’
সূত্রঃ http://www.dailynayadiganta.com/first-page/425131/

Note: এই পদ্ধতিতে আমরা আগামী সপ্তাহে ১০০ নম্বরের একটি মডেল টেস্ট নিবো।

Sunday, July 14, 2019

কেমন হবে নতুন নিয়মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা?


২০১৮ সালের ভর্তি পরীক্ষার নোটিশে ঘোষণা দেওয়া হয় ২০১৯ সাল থেকে এমসিকিউ প্রশ্নের পাশাপাশি লিখিত প্রশ্নও থাকবে। অর্থাৎ, কেবল এমসিকিউ প্রশ্নের উপর ভিত্তি করে পরীক্ষা না নিয়ে, এবার এমসিকিউ এর পাশাপাশি উত্তর করতে হবে লিখিত প্রশ্নেরও। কীভাবে হবে এই পরীক্ষার প্রশ্নের মানবণ্টন? এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষার জন্য আলাদা আলাদা সময় কীভাবে বণ্টন করা হবে? জেনে নেয়া যাক সেই সকল তথ্য।

♦ নতুন ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতির মানববণ্টন:—
পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী মোট ২০০ নম্বরের পরীক্ষায় ১২০ নম্বর আসতো সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা থেকে এবং বাকি ৮০ নম্বর আসতো পরীক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ থেকে। এবার নতুন নিয়মে মোট নম্বর ২০০ থাকলেও পরিবর্তন হয়েছে নম্বর বিভাজনে। ২০০ নম্বরের মধ্যে ১০০ নম্বর আসবে পরীক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ থেকে এবং বাকি ১০০ নম্বর আসবে ভর্তি পরীক্ষার এমসিকিউ এবং লিখিত পরীক্ষা থেকে।

মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ কে গুণ করা হবে ৮ দিয়ে এবং উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-কে গুণ করা হবে ১২ দিয়ে।
অর্থাৎ, (৫×৮) + (৫×১২) =১০০।
তুমি যদি মাধ্যমিকে জিপিএ ৫.০০ পাও, তাহলে এখান থেকে তুমি পাবে ৫×৮ = ৪০ নম্বর। যদি তুমি উচ্চমাধ্যমিকে জিপিএ ৫.০০ পাও, তাহলে এখানে তুমি পাবে ৫×১২ = ৬০ নম্বর। এভাবে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক বা এর সমমানের পরীক্ষার জিপিএ মিলিয়ে তুমি পাবে ৪০+৬০ = ১০০ নম্বর।

♦ মূল ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন:—
১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ৬০ নম্বর আসবে এমসিকিউ প্রশ্নের উত্তর থেকে এবং ৪০ নম্বর আসবে লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর থেকে।
৬০ নম্বরের এমসিকিউ অংশে মোটি কয়টি প্রশ্ন হবে এবং প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তরের জন্য কত মার্ক যোগ হবে ও প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কত মার্ক করে কাটা যাবে, তা প্রকাশিত হবে ভর্তি পরীক্ষার সার্কুলারে। সার্কুলার প্রকাশিত হলে তা যানা যাবে।
সেইসঙ্গে ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় কয়টি প্রশ্ন থাকবে ও মার্ক কীরূপ হবে তাও জানতে পারবে সার্কুলার থেকে।
তবে এখানে বলে রাখা ভালো, লিখিত পরীক্ষায় বড় আকারে উত্তর করতে হয় এমন কোনো প্রশ্ন থাকবে না। সংক্ষিপ্ত আকারে উত্তর দেয়া যায় এরূপ প্রশ্ন সেখানে করা হবে।

♦ সময় বন্টন:—
ভর্তি পরীক্ষার সময় হবে ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট। এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য সময় রাখা হয়েছে ৪০ মিনিট। অর্থাৎ ৪০ মিনিট সময়ের মাঝে তোমার ৬০ নম্বরের এমসিকিউ দাঁগাতে হবে।
আর লিখিত পরীক্ষার জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৫০ মিনিট। লিখিত পরীক্ষার জন্য আলাদা কোনো উত্তরপত্র দেওয়া হবে না। প্রশ্নের মাঝেই উত্তর লেখার জন্য ফাঁকা জায়গা থাকবে; সেখানেই উত্তর লিখতে হবে।
অর্থাৎ প্রশ্ন থাকবে সকল সংক্ষিপ্ত উত্তরের জন্য। এমসিকিউ এবং লিখিত পরীক্ষায় আলাদা আলাদা প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হবে। একটি পরীক্ষা শেষ হলে, তার উত্তরপত্র সংগ্রহ করে অন্য পরীক্ষাটির প্রশ্ন ও উত্তরপত্র দেয়া হবে। তবে এমসিকিউ আগে হবে নাকি লিখিত পরীক্ষা আগে হবে সেটি জানা যাবে ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ সার্কুলার প্রকাশিত হলে।

♦ ইউনিট পরিচিতি:—
প্রতিবারের মতো এবারও ৫টি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ক-ইউনিটে সকল বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিবে। মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিবে খ-ইউনিটে এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিবে গ-ইউনিটে। ঘ-ইউনিট হলো বিভাগ পরিবর্তনের জন্য। তুমি যদি নিজের বিভাগ পরিবর্তন করে পড়তে চাও, তাহলে এই ইউনিটে পরীক্ষা দিতে পারো; তবে এর জন্য রয়েছে কিছু নীতিমালা যা ভর্তির সার্কুলার থেকে দেখে নিতে হবে।
আর সর্বশেষ চ-ইউনিটে পরীক্ষা দিতে পারো যদি চারুকলা অনুষদে পড়ার ইচ্ছা থাকে। ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে হবে http://admission.eis.du.ac.bd/ এই ওয়েব অ্যাড্রেস থেকে। ভর্তি আবেদনের কার্যক্রম শুরু হলেই এই সাইটটি খুলে দেয়া হবে। এখানেই ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য তোমরা পেয়ে যাবে।

অনলাইনে কাঙ্ক্ষিত ইউনিটে আবেদনের পর টাকা জমা দিতে হবে সোনালি ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, অগ্রনী ব্যাংক এবং জনতা ব্যাংকের যেকোনো একটিতে। ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫০/= টাকা। অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে ৫ আগস্ট থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত এবং আবেদন ফি জমা দেয়ার শেষ দিন ২৮ আগস্ট। আর ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৫টি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
১৩ সেপ্টেম্বর – গ-ইউনিট
১৪ সেপ্টেম্বর – চ-ইউনিট (সাধারণ জ্ঞান অংশ)
২০ সেপ্টেম্বর – ক-ইউনিট
২১ সেপ্টেম্বর – খ-ইউনিট
২৭ সেপ্টেম্বর – ঘ-ইউনিট
২৮ সেপ্টেম্বর – চ-ইউনিট (অঙ্কন অংশ)

সময় মেনে ঠিকঠাক প্রস্তুতি নিলে অবশ্যই স্বপ্নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অংশ হতে পারবে তুমি।
(তথ্যসূত্র – দৈনিক প্রথম আলো)।

Tuesday, July 9, 2019

ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার আপডেট!


এ বছর ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার নতুন নিয়মে এসএসসি ও এইচএসসি জিপিএ এর উপর মার্কস কাউন্ট হবে ১০০ এবং ভর্তি পরীক্ষার মার্কস হবে ১০০। এই মোট ২০০ নম্বরের ভিত্তিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।
ভর্তি পরীক্ষা হবে— ৬০ নম্বর এমসিকিউ, ৪০ নম্বর লিখিত।
সময়— এমসিকিউ ৪০ মিনিট, লিখিত ৫০ মিনিট।

বিঃদ্রঃ লিখিত প্রশ্ন সংক্ষিপ্ত আকারে হবে এবং সংক্ষিপ্ত আকারের লিখিত প্রশ্ন উত্তরপত্রের ভেতরেই থাকবে, সেখানেই উত্তর দিতে হবে।

সূত্র: প্রথম আলো, ১০ জুলাই ২০১৯, পৃষ্ঠা—৩।

পরামর্শ— যাদের হাতের লেখার অক্ষরের সাইজ অস্বাভাবিক বড় তারা লেখার সাইজ ছোট করে অল্প জায়গায় সুন্দর করে লেখার প্রাকটিস করো।

Thursday, July 4, 2019

ঢাবির ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা!


২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সেই মোতাবেক "খ" ইউনিট এর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২১ সেপ্টেম্বর শনিবার এবং "ঘ" ইউনিট এর ২৭ সেপ্টেম্বর  শুক্রবার।

অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু হবে ৫ আগস্ট ২০১৯ থেকে এবং চলবে ২৭ আগস্ট ২০১৯ পর্যন্ত।

এ বছরের নতুন পরীক্ষা পদ্ধতি বিষয়ে এই ঘোষণায় আপডেট কিছু বলা হয় নি, আগের বিবৃতিই দেওয়া হয়েছে যে, ৬০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

তবে, ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন কীরূপ হবে সে বিষয়ে সামনের সপ্তাহের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হবে বলে জানা গেছে।

Thanks  |  ধন্যবাদ

DU Kha Unit Admission Preparation Program (DUKUAPP)
"বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রাইভেট ব্যাচ"
(বিএ/ বিএসএস)
A Project by
Md. Mahadi Hasan
Phone: 01746315639